c66-এ ভিআইপি হওয়া মানে শুধু বোনাস নয় – এটা একটা সম্পূর্ণ আলাদা অভিজ্ঞতা। আপনার প্রতিটি খেলায় পয়েন্ট জমুক, স্তর বাড়ুক এবং উপভোগ করুন এমন সুবিধা যা সাধারণ সদস্যরা কল্পনাও করতে পারেন না।
c66 ভিআইপি – রাতের রোমাঞ্চে সেরা অভিজ্ঞতা
প্রতিটি বেটে ভিআইপি পয়েন্ট অর্জন করুন। পয়েন্ট জমা হলে স্তর বাড়বে এবং সাথে বাড়বে সুবিধার মাত্রাও। নিচে পাঁচটি স্তরের বিস্তারিত দেওয়া হলো:
c66-এ প্রতিটি বেটের সাথেই ভিআইপি পয়েন্ট জমা হয়। ক্রিকেটে বেট দিন, ক্যাসিনো খেলুন বা স্লট চালান – সব কিছুতেই পয়েন্ট পাবেন। স্তর যত উপরে, প্রতি টাকায় পয়েন্ট তত বেশি:
জমানো পয়েন্ট বোনাস ক্রেডিট হিসেবে রিডিম করা যায়। ১০০ পয়েন্ট = ৳১ বোনাস ক্রেডিট। পয়েন্ট রিডিমের কোনো মেয়াদ নেই।
c66 ভিআইপি সদস্যরা মোবাইলেই পান সব সুবিধা
c66 ভিআইপি প্রোগ্রাম – প্রতিটি মুহূর্ত বিশেষ করে তোলে
c66 ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দিলে শুধু পয়েন্ট বা ক্যাশব্যাক নয়, আরও অনেক কিছু পাবেন:
ডায়মন্ড সদস্যরা পান একজন ব্যক্তিগত ভিআইপি কনসিয়ার্জ যিনি ২৪/৭ পাশে থাকেন। যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি ফোন বা মেসেজে পাওয়া যান।
গোল্ড থেকে ডায়মন্ড পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে বার্ষিক উপহার প্যাকেজ পাঠানো হয়। ব্যক্তিগতকৃত এই উপহার আপনার স্তর ও পছন্দ অনুযায়ী নির্বাচন করা হয়।
প্রতি মাসে ভিআইপি-অনলি টুর্নামেন্ট আয়োজন হয়। বড় পুরস্কার পুলের এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারেন শুধু ভিআইপি সদস্যরা।
ভিআইপি সদস্যদের উত্তোলন প্রথমে প্রক্রিয়া করা হয়। ডায়মন্ড সদস্যরা মাত্র ৫ মিনিটে টাকা পান – যেকোনো সময়, যেকোনো দিন।
আপনার জন্মদিনে c66 থেকে বিশেষ বোনাস ও উপহার পাবেন। স্তর যত উপরে, জন্মদিনের পুরস্কার তত বড়।
ভিআইপি স্তর যত বাড়বে, বেট লিমিটও বাড়বে। ডায়মন্ড সদস্যরা ক্রিকেট ও ফুটবলে সর্বোচ্চ সীমায় বেট করতে পারেন।
c66 ভিআইপি প্রোগ্রামে যোগ দেওয়া সহজ। স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের কারণে আলাদা কোনো আবেদন করতে হয় না:
যদি ইতিমধ্যে অ্যাকাউন্ট না থাকে, নিবন্ধন করুন। KYC সম্পন্ন করলে সব সুবিধা আনলক হবে।
যেকোনো বিভাগে বেট করুন বা গেম খেলুন – প্রতিটি টাকায় ভিআইপি পয়েন্ট জমা হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে।
নির্ধারিত পয়েন্টের সীমা অতিক্রম করলে c66 সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার স্তর আপগ্রেড করবে।
স্তর বাড়লে নতুন সুবিধা আনলক হবে। ভিআইপি ড্যাশবোর্ড থেকে সব সুবিধা এবং পয়েন্ট ব্যালেন্স দেখতে পাবেন।
জমানো পয়েন্ট যেকোনো সময় বোনাস ক্রেডিটে রূপান্তর করুন এবং খেলায় ব্যবহার করুন।
c66 ভিআইপি – জয়ের আনন্দ আরও বড় হয় উপহারে
বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু সত্যিকারের ভিআইপি অভিজ্ঞতা দিতে পারে হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র। c66-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম এই ক্ষেত্রে আলাদা একটি মানদণ্ড তৈরি করেছে।
অনেকের মনে হয় ভিআইপি সদস্যপদ বোধহয় শুধু বড় লোকদের জন্য। আসলে তা না। c66-এর ব্রোঞ্জ স্তর থেকেই ভিআইপি সুবিধা শুরু হয় এবং এটা পেতে তেমন বেশি বেট করতে হয় না। নিয়মিত খেলোয়াড়রা স্বাভাবিকভাবেই কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ব্রোঞ্জ স্তরে পৌঁছে যান।
ভিআইপি প্রোগ্রামের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো পয়েন্ট সিস্টেম। জিতলেও পয়েন্ট, হারলেও পয়েন্ট – কারণ পয়েন্ট নির্ভর করে বেটের পরিমাণের উপর, ফলাফলের উপর নয়। এই কারণে একজন নিয়মিত খেলোয়াড় জানেন যে খেলতে খেলতেই তার স্তর বাড়ছে এবং পুরস্কার জমছে।
c66-এর গোল্ড ভিআইপি স্তর থেকে ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজারের সুবিধা পাওয়া যায়। এই ম্যানেজার শুধু সমস্যা সমাধানের জন্য নয়, তিনি আপনার গেমিং অভ্যাস বোঝেন এবং সেই অনুযায়ী পরামর্শ ও বিশেষ অফার দেন। IPL চলাকালীন বিশেষ ক্রিকেট অফার, বিশ্বকাপে বাড়তি ক্যাশব্যাক – এই ধরনের সুযোগের খবর সবার আগে জানা যায় নিজস্ব ম্যানেজারের মাধ্যমে।
ডায়মন্ড ভিআইপি স্তরটি একটু বিশেষ – এটা শুধু আমন্ত্রণ ভিত্তিক। যারা দীর্ঘদিন ধরে c66-এ নিয়মিত খেলেন এবং প্রচুর পয়েন্ট জমা করেন, তাদের আমন্ত্রণ পাঠানো হয়। এই স্তরের সুবিধাগুলো সত্যিই অসাধারণ – ৩০% ক্যাশব্যাক, ৫ মিনিটের পেআউট, কাস্টম অডস এবং ৳৫০,০০০-এর বেশি বার্ষিক উপহার।
জন্মদিনের বিশেষ বোনাসটা অনেকের কাছে একটা মিষ্টি চমক। কেউ হয়তো জানেনই না যে c66 তাদের জন্মদিন মনে রাখে। কিন্তু সেই বিশেষ দিনে অ্যাকাউন্টে একটা উপহার দেখলে যে অনুভূতি হয়, সেটা অন্যরকম। এটা ছোট বিষয় হলেও c66 কীভাবে সদস্যদের মূল্য দেয় সেটার একটা স্পষ্ট নিদর্শন।
ভিআইপি পয়েন্টের আরেকটি সুবিধা হলো এর কোনো মেয়াদ নেই। অনেক প্ল্যাটফর্মে পয়েন্ট কিছুদিন পরে মুছে যায়। কিন্তু c66-এ আপনার জমানো পয়েন্ট সবসময় থাকবে। তাই ধীরে ধীরে জমিয়েও বড় পুরস্কার পাওয়া সম্ভব।
সব মিলিয়ে c66-এর ভিআইপি প্রোগ্রাম বাংলাদেশের যেকোনো অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সবচেয়ে সুচিন্তিত এবং ব্যবহারকারীবান্ধব। এখানে প্রতিটি সদস্যকে মূল্য দেওয়া হয় – ব্রোঞ্জ থেকে ডায়মন্ড পর্যন্ত সবাই বিশেষ অনুভব করেন।
বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে c66 ভিআইপি সদস্যদের অভিজ্ঞতা:
গোল্ড ভিআইপি হওয়ার পর থেকে পেআউটের সময় অর্ধেকে নেমে এসেছে। আমার ম্যানেজার আগেভাগে IPL অফার জানিয়েছিল, সেই সুযোগে ভালোই কামাই হয়েছে।
c66-এর ভিআইপি সিস্টেমে পয়েন্টের মেয়াদ নেই – এটাই আমার সবচেয়ে পছন্দের জিনিস। আস্তে আস্তে জমিয়ে সিলভার থেকে গোল্ডে উঠেছি।
জন্মদিনে হঠাৎ একটা বোনাস নোটিফিকেশন এলো – অবাক হয়ে গেলাম! ছোট জিনিস, কিন্তু c66-এর প্রতি আস্থা অনেক বেড়ে গেছে।